১. ফিশিং (Phishing): ভুয়া ইমেইল বা লিংকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে তথ্য নেওয়া।
২. প্রিটেক্সটিং (Pretexting): মিথ্যা পরিচয় দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা।
৩. বেটিং বা লোভ দেখানো: “আপনি লটারি জিতেছেন” এমন একটি প্রস্তাব দিয়ে তথ্য চুরি।
৪. টেলিগেটিং (Tailgating): কাউকে অনুসরণ করে সীমিত প্রবেশাধিকারযুক্ত এলাকায় প্রবেশ।
প্রতিরোধের উপায়
১. অপরিচিত ইমেইল বা লিংকে ক্লিক করবেন না।
২. ফোনে বা মেসেজে কখনোই ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।
৩. সন্দেহজনক কিছু হলে, সঠিক সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করুন।
৪. একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণের ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দিন।
সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বাঁচার জন্য সচেতন থাকা এবং নিজের তথ্য সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একা প্রযুক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করা কঠিন, তাই নিজের বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করতে হবে।